বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কাছে বন্ড-সংক্রান্ত সেবাগুলোকে দ্রুততর ও ঝামেলামুক্ত করার পাশাপাশি নীতি সহায়তা প্রদানের অনুরোধ জানিয়েছে।
মঙ্গলবার ঢাকার (উত্তর) কাস্টমস বন্ড কমিশনার মিয়া মো. আবু ওবায়দার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বিজিএমইএর তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। দলের নেতৃত্ব দেন বিজিএমইএ পরিচালক ফয়সাল সামাদ। বৈঠকে কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার এদিপ বিল্লা এবং ডেপুটি কমিশনার এইচ. এম. আহসানুল কবীর উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে গত ৮ সেপ্টেম্বর একই উদ্দেশ্যে বিজিএমইএর আরেকটি প্রতিনিধি দল ঢাকার (দক্ষিণ) কাস্টমস বন্ড কমিশনার মোহাম্মদ হাসমত আলীর সঙ্গে বৈঠক করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় উত্তর কমিশনারের সঙ্গে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ফয়সাল সামাদ বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খানের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি কমিশনারের কাছে হস্তান্তর করেন। চিঠিতে পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ধরে রাখতে বন্ড প্রক্রিয়া সহজীকরণ ও নীতি সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বিজিএমইএ প্রতিনিধিরা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেটের কাছে কয়েকটি নির্দিষ্ট প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যার মধ্যে রয়েছে—
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক নিরীক্ষা কার্যক্রম সহজ করা
৩০ জুন ২০২২ পর্যন্ত সংশোধিত ইউডি বহির্ভূত ব্যাক-টু-ব্যাক এলসিগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি
সিবিএমএস (CBMS) সফটওয়্যারের মাধ্যমে বন্ড রেজিস্টার সংরক্ষণ সহজ করা
শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে কাটিং তদারকি না করা
বন্ড লাইসেন্সে এইচ.এস. কোড সংযোজন প্রক্রিয়া সহজীকরণ
বিজিএমইএ মনে করে, এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে পোশাক শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে এবং রপ্তানিমুখী খাতের প্রবৃদ্ধি বজায় থাকবে।