সম্প্রতি সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপ জয় ও প্রথমবারের মতো সিনিয়র নারী এশিয়ান কাপের ফাইনালে ওঠার সফলতার পর, বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এখন নতুন এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি—এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপের কোয়ালিফায়ার পর্ব।
বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, লাওস ও তিমুরলেস্তে। শিল্পমহলে তারা সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী কোরিয়ার বিপক্ষে। দক্ষিণ কোরিয়া অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপের দুইবারের চ্যাম্পিয়ন এবং প্রায় নিয়মিত অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে। ২০১৯ সালে লড়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে যেখানে ৭-০ গোলে হেরেছিলও—তাদের এটিই অন্যতম বড় প্রতিপক্ষ।
কোয়ালিফায়ার পর্বে মোট ৩৩টি দল অংশ নিচ্ছে, আট গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলা হচ্ছে।
চূড়ান্ত পর্বে উঠার জন্য প্রয়োজন:
- গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া, অথবা
- সেরা তিন রানার্সআপে অবস্থান করা।
- আয়োজক থাইল্যান্ড সরাসরি চূড়ান্ত পর্বে থাকবে।
বাংলাদেশ নারী দল এখন লাওসে কোয়ালিফায়ার মিশনে অংশ নিয়েছে। প্রতিটি ম্যাচ নির্ধারণী হবে এবং প্রথম বাধা আজ লাওসের বিপক্ষে।
নারী দলের অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার বললেন:
“আমরা এখানে এসেছি কোয়ালিফায় করার জন্য। তাই প্রত্যেক ম্যাচে সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স প্রদানের চেষ্টা করব।”
ইংলিশ কোচ পিটার বাটলার আরও যোগ করেন:
“আমাদের লক্ষ্য চাইল্ড ফ্রপোর্ট করা—অর্থাৎ মাঠে নিজের ছাপ রেখে খেলা। আমাদের পরিকল্পনা কী, তা আমরা সবাই জানি।”
আগের শুভ ফলাফল যেমন ভরসার সংকেত দেয়, তেমনি এই কোয়ালিফায়ার পর্ব সিনিয়র নারী দলের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তুতি। যুব দলে থাকা নবীন খেলোয়ারদের মধ্যে ৯ জন সিনিয়র দলেও জায়গা পেয়েছেন। সাফল্য যে কেবল ভবিষ্যতের প্রস্তুতি নয়, বরং ওয়ানেজমেন্টও বাড়িয়ে দিচ্ছে।
বাটলার জানান:
“লাওস ম্যাচে ঘরের মাঠে খেলার কারণে চ্যালেঞ্জ অনেক। তবে অভিজ্ঞতা অর্জন ও দল গঠনে এটি গুরুত্বপূর্ণ। মেয়েরা আন্তর্জাতিক মঞ্চে যেসব অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে, সেটি ভবিষ্যতে সিনিয়র দলে কাজে আসবে।”